স্ত্রী ছাড়া কার সাথে স′হবাস করা যা...see more

Image
 স্ত্রী ছাড়া কার সাথে স′হবাস করা যা স্ত্রী ছাড়া কোন নারীর সাথে স’হবাস করা যাবে? এমন নানা বিতর্কিত বিষয় অনেকের মাথায় ঘুরপাক খাচ্ছে। এবিষয়ে ইসলামের স্পষ্ট বিধান রয়েছে। বর্তমান সময়ের সবচেয়ে আলোচিত টপিকটি নিয়ে আমরা কথা বলি কয়েকজন ইসলামী স্কলারের সঙ্গে। কোরআন ও হাদিসের আলোকে আলেমদের বিশ্লেষণ ও মতামত নিচে তুলে ধরা হলো: ইসলাম মানব জীবনের প্রতিটি দিকের জন্য সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনা দিয়েছে। পারিবারিক জীবন ও দাম্পত্য সম্পর্কের ক্ষেত্রেও ইসলাম অত্যন্ত স্পষ্ট ও কঠোর বিধান নির্ধারণ করেছে। অনেকের মনে প্রশ্ন জাগে- স্ত্রী ছাড়া কি কোনো নারীর সাথে সহবাস করা বৈধ? ★ইসলামের মৌলিক বিধান: ইসলামে সহবাস শুধুমাত্র বৈধ বিবাহের মাধ্যমে স্ত্রীর সাথেই অনুমোদিত। স্ত্রী ছাড়া অন্য যেকোনো নারীর সাথে শারীরিক সম্পর্ককে ইসলাম যিনা (ব্যভিচার) হিসেবে গণ্য করে, যা একটি মারাত্মক কবিরা গুনাহ। ★কুরআনের সুস্পষ্ট নির্দেশনা: “আর তারা নিজেদের লজ্জাস্থান সংযত রাখে- শুধু তাদের স্ত্রীদের সাথে…” সূরা আল-মুমিনূন (২৩:৫-৬) এই আয়াত থেকে পরিষ্কার বোঝা যায় যে, বৈধ সহবাসের পরিসর কেবলমাত্র স্ত্রী পর্যন্ত সীমাবদ্ধ। ★কাদের সাথে সহবাস সম্পূর্ণ হ...

সৌদিতে প্রতি রাতে বাবা ছেলে এক স’ঙ্গে আমাকে খা’ইছে আমি না করলে...see more

  


সৌদিতে কি করা হয় নারীদের সাথে? প্রতি রাতে বাবা ছেলে এক সঙ্গে আমাকে খাইছে আমি না করলে অনেক মারধর করত! প্রকাশিত ভাইরাল ১৩ মিনিটের ভিডিও দেখুন কমেন্টস থেকে!


নারীদের প্রতি যেকোনো ধরনের শারীরিক, মানসিক বা যৌন নির্যাতন মানবাধিকারের গুরুতর লঙ্ঘন। বিশ্বের যেকোনো দেশের মতো সৌদি আরবেও এমন ঘটনার অভিযোগ মাঝে মাঝে প্রকাশ্যে আসে, যদিও এগুলো পুরো দেশের সমাজ বা জনগণের প্রতিনিধিত্ব করে না। অনেক নারী পারিবারিক সহিংসতা, জোরপূর্বক যৌন নির্যাতন, কর্মক্ষেত্রে শোষণ বা ভয়ের কারণে দীর্ঘদিন নীরব থাকেন।


যদি কোনো নারীকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে যৌন সম্পর্ক করতে বাধ্য করা হয়, বা পরিবারের একাধিক সদস্য মিলে তাকে নির্যাতন করে, তবে সেটি অত্যন্ত গুরুতর অপরাধ। এমন নির্যাতনের শিকার ব্যক্তির শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর গভীর প্রভাব পড়তে পারে। তাই নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেওয়া, বিশ্বস্ত ব্যক্তি বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে সাহায্য চাওয়া এবং চিকিৎসা গ্রহণ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।


এ ধরনের ঘটনার বিরুদ্ধে সমাজকে সচেতন হতে হবে এবং ভুক্তভোগীদের দোষারোপ না করে তাদের পাশে দাঁড়াতে হবে। প্রতিটি মানুষের নিরাপদ, সম্মানজনক ও সহিংসতামুক্ত জীবনযাপনের অধিকার রয়েছে। নির্যাতনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং মানবাধিকার রক্ষায় সবার সম্মিলিত ভূমিকা অপরিহার্য।

Comments

Popular posts from this blog

৯ বছর পর প্রবাসী স্বামীকে পেয়ে বিমান বন্দর থেকে উল্লাসে উপরে উঠে স্বামীর মেরুদণ্ড ভে...See More

ঔ’ষ’ধ খেলে আমি পা/গ/ল হতাম, তারপর স্বামী.... See more

মৃ.'ত্যুর পরও রেহাই পেল না ১৭ বছরে….See more